প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

মাহে রমযানঃ তাক্বওয়া ভিত্তিক জীবন গঠনের মাস

মাওলানা আবুল কাসেম ভূঁইয়া ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল স্তম্ভের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো সিয়াম বা রমযান। ইসলাম মানব জীবনের আÍশুদ্ধি ও সংযম সাধনার যে পদ্ধতি নির্ণয় করে দিয়েছে পবিত্র কুরআনের পরিভাষায় তারই নাম সিয়াম বা রমযান। ‘সিয়াম’ সাওম শব্দ হতে উদ্ভূত। এর অর্থ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া, বিরত থাকা। শরীয়তের অর্থে সুব্হে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়্যাত করে কোন কিছু পানাহার ও স্ত্রী মিলন হতে বিরত থাকার নামই সিয়াম বা রোযা। প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম নর-নারীর জন্যই পবিত্র রমযানের পুরো মাস সিয়াম সাধনা করা ফরয বা অবশ্য কর্তব্য। রোযার উদ্দেশ্যঃ ইরশাদ হচ্ছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি ফরয করা হয়েছিল যেন তোমরা মুত্তাক্বী হতে পার”। (সূরা বাক্বারা- ১৮৩)। উল্লিখিত আয়াত দৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ্র তরফ থেকে যত শরীয়ত দুনিয়াতে নাযিল হয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই রোযা রাখার বিধান ছিল। আর এই সিয়াম বা রোযা পালনের…(বিস্তারিত)

রমযানের ফাযায়েল ও মাসায়েল – মুফতী নূর আহমদ

ঈমানের চাহিদা হল ধর্মপথের ডাকাত নফ্সে আম্মারা তথা প্রবৃত্তিকে দমনের জন্য প্রস্তুত থাকা এবং রূহ্কে সজীব ও পবিত্র রাখার জন্য সচেষ্ট হওয়া। এ কার্যসিদ্ধির জন্যেই মু’মিনের উপর আল্লাহ্ তাআলা রমযানের রোযা আদায় ফরয করে দিয়েছেন। আর এই রোযার সংজ্ঞা হলো, সুব্হে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রীসহবাস থেকে বিরত থাকা। স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে হায়েয ও নিফাস থেকে পবিত্র থাকার শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু মানুষের নফস ও (বিস্তারিত)...

দেবী মূর্তি পুনঃ স্থাপিত হলেও হেফাজতের মতাদর্শিক বিজয় হয়েছে -ফরহাদ মজহার

  এক জায়গা থেকে সরিয়ে শাড়ি পরা দেবী থেমিসকে আবারও পুনঃ স্থাপন করা হয়েছে। হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, ‘গ্রীক দেবী থেমিসের এই প্রতীককে চিরতরে পরিত্যাগ করতে হবে’। কারণ হিসাবে বলেছেন, শাড়ি পরা দেবী থেমিসকে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের বিরোধী এই দেবীকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেয়া যাবে না। ‘গণমানুষের সকল আবেদন নিবেদন এবং শান্তিপূর্ণ দীর্ঘ আন্দোলন’কে বৃদ্ধা (বিস্তারিত)...

ঈদের আহকাম ও মাসায়েল – মুফতী জসীমুদ্দীন

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ও মহান ইবাদতের দু’টি দিন। রাসূলুল্লাহ (সা.) মদীনায় গমন করে এখানকার লোকদেরকে দু’দিন আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠতে লক্ষ্য করেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) এ ব্যাপারে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তারা বলেন, জাহেলী যুগে এ দু’দিন আমরা আনন্দ-উৎসব করতাম। রাসূলুল্লাহ (সা.) তখন বললেন- আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্যে এ দু’দিনের চেয়ে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন- ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর। এ বিষয়ে মুসনাদে আহ (বিস্তারিত)

সাদক্বায়ে ফিতর ও যাকাতের বিধান – মাওলানা মুহাম্মদ ওমর

সদকা ফিতির কী ও কেন? ফিতর শব্দের অর্থ রোযা খোলা, ভাঙ্গা ও পরিত্যগ করা। সদকা ফিতির হলো, আল্লাহ তাআলা নিজ বান্দার উপর একটি সদকা নির্ধারণ করেছেন যা রমযান মাস শেষে রোযা শেষ হওয়ার খুশি ও শুকরিয়া হিসেবে আদায় করতে হয়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাকে ভুল ত্রুটি থেকে পাক-পবিত্র, দরিদ্র ও নিঃস্বদের পানাহারের ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে সদকা-ফিতিরকে ফরয করেছেন (বিস্তারিত)...

তারাবীর ফাযাইল ও আহ্কাম – মুফতী মুহাম্মদ ওসমান

ইসলামী শরীয়তে রোযা এবং তারাবীহ’র গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখে না। দিনের বেলায় রোযা এবং রাত্রি বেলায় তারাবীহ্ মাহে রমযানের প্রধান বৈশিষ্ট। রোযা এবং তারাবীহ্ দ্বারা আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ হতে বিগত জীবনের সকল পাপ মোচন করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যারা একমাত্র প্রভুকে রাযী-খুশী করার নিমিত্তে রোযা এবং তারাবীহ্ আদায় করবে, আপন প্রভুর রহমত ও মাগফিরাত তাদের পদযুগল চুম্বন করবে। হযরত আবু হুরাইরা (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে কার (বিস্তারিত)...

ইসলাম বিরোধীতা – মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান

ইসলাম এবং মুসলমানের প্রথম দুশমন শয়তান। অতঃপর কাফিররা দুশমনী শুরু করে। ইহুদী-খ্রীস্টান-মুশরিক, যারা আল্লাহর তাওহীদ তথা একত্বে বিশ্বাস করে না, তারাই কাফির। আল্লাহ তাঁর কিতাবে এইসব দুশমন থেকে মুসলমানকে সাবধান থাকতে বলেছেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, ‘তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের অনুসরণ করিও না; নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’। (সূরা বাক্বারাহ- ২০৮)। কুরআন পাকে আরো ইরশাদ এসেছে, ইহুদী এব (বিস্তারিত)...

জিজ্ঞাসা-সমাধান -ফতোয়া বিভাগ, হাটহাজারী মাদ্রাসা।

কবর সংক্রান্ত প্রচলিত কিছু প্রথা (৮০২৪) মাওলানা মুহাম্মদ আবু সাঈদ, নালিতাবাড়ী। জিজ্ঞাসাঃ (ক) অনেক এলাকায় দেখা যায় যে, কোনো মানুষ মারা যাওয়ার পর অনেকেই চাল-ডাল, টাকা-পয়সা ইত্যাদি দেয় এবং সেগুলোকে একত্র করে পরে সেগুলো গরীব ও ফকীর-মিসকীনকে দেয়। আর একটি বিষয় হলো, মৃত ব্যক্তিকে দাফন দেওয়ার পর তার কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পুঁতে দেওয়া হয় এবং এ সময় চার কুল পড়া হয়। আমার জানার বিষয় হলো, এই সমস্ত প্রথার কোনো ভিত্তি আছে কি-না? (খ) কবরের উপর কোনো গাছ লাগানো যাবে কি-না? লাগানো গেলে কোন কোন শ্রেণীর গাছ লাগানো যাবে না, জানাবেন। সমাধানঃ (ক) ইসলাম যে সমস্ত ইবাদতকে কোনো বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট করেনি সেগুলোকে কোনো বিষয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত করা শরীয়ত পরিপন্থী। তাই মৃতের কাফন-দাফনকে কেন্দ্র করে টাকা-পয়সা চাল-ডাল ইত্যাদি জমা করে গরীবদের মাঝে বিতরণ করা কুসংস্কার ও বিদআত। এ থেকে বিরত থাকা আবশ্যকীয় এবং মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরের চার কোনে খেজুর গাছের ডাল বা অন্য কোনো পাতাবাহার […](বিস্তারিত)

Somoy

Editor: Chowdhury Arif Ahmed
Executive Editor: Saiful Alam
Contact: 14/A, Road No 4, Dhaka, Bangladesh
E-mail: dailydhakatimes@gmail.com
© All Rights Reserved Daily Dhaka Times 2016
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখার সম্পূর্ণ বা আংশিক আনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি