প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

কওমি মাদ্রাসার আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন রাসূলুল্লাহ (সা.)

আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরীঃ [বিগত ২০১৬ইং সনের ২৯ জানুয়ারী জুমাবার দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দী ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসীরে কুরআন আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী (দা.বা.) কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট, ইতিহাস ও গুরুত্বের উপর মূল্যবান বয়ান পেশ করেন। একই বয়ানে তিনি কথিত জশনে জুলুস ও মীলাদ অনুষ্ঠানে রাসূল (সা.)কে হাযির–নাযির বলে যারা দাবী করেন, তাদের বিভ্রান্তিকর দাবীর বিপক্ষেও জোরালো যুক্তি–প্রমাণ দিয়ে বক্তব্য রাখেন। সময়ের চাহিদা ও বিষয়বস্তুর গুরুত্ব উপলব্ধি করে আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী (দা.বা.)এর উক্ত বয়ানটি নিম্নে হুবহু পত্রস্থ করা হল। –নির্বাহী সম্পাদক] بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ۔ اَلرَّحْمٰنُ ۙ﴿۱﴾  عَلَّمَ الْقُرْاٰنَ ؕ﴿۲﴾  خَلَقَ  الْاِنْسَانَ ۙ﴿۳﴾ وعن إبراهيم بن عبد الرحمن العذري قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : يحمل هذا العلم من كل خلف عدوله ينفون عنه تحريف الغالين وانتحال المبطلين…(বিস্তারিত)

পাঠ্যবই বিতর্কঃ সকলের কথা শুনতে হবে – ফরহাদ মজহার

শিক্ষা আইন, শিক্ষা নীতি ও পাঠ্যবই নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত ভাবে। পুরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে সেটা হচ্ছে না। সেটা আশাও করি না। কিন্তু এখন দেখছি জাতিবাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ ওয়ালারা চরম গোস্বা করেছে। কেন? কারণ সরকার নাকি হেফাজতের দাবি মেনে নিয়েছে। শিক্ষা কোন ব্যাপার না, পাঠ্যবই সম্পর্কে হেফাজতের আপত্তি সরকার মানলো কেন, এই হোল তর্ক। টুপিপরা কোর্তাপরা এইসব বর্বর অশিক্ষিত পশ্চাতপদ মানুষ বুঝি মঙ্গলগ্রহ (বিস্তারিত)...

পর্দা কি শুধুই নারীদের জন্য – মুহাম্মদ আব্দুল গনি খান

পেয়ারা হাবীব (সা.) বলেন, “আল্লাহ্ তায়ালা ঐ পুরুষদের উপর অভিশাপ বর্ষণ করেছেন, যে নারীর আকৃতি ধারণ করে এবং তিনি ঐ নারীর উপরও অভিশাপ বর্ষণ করেন, যে পুরুষের আকৃতি ধারণ করে।” (মিশকাত শরীফ)। বর্ণিত আছে যে, হযরত আয়েশা (রাযি.)এর কাছে এক ব্যক্তি আরয করল যে, জনৈকা মহিলা পুরুষের জুতা ব্যবহার করে। এ বিষয় আপনার মন্তব্য কি? হযরত আয়েশা (রাযি.) বললেন, হযরত রাসূলে কারীম (সা.) এমন নারীর উপর অভিশাপ করেছেন, যে পুরুষদের আচরণ অবলম্বন করে। (মিশকাত শরীফ)। (বিস্তারিত)...

শরীয়তের আলোকে সালাম, মুসাফাহা, মুআনাক্বা, হস্ত-চুম্বন এবং অন্যের গহে প্রবেশ

মুহাম্মদ আরিফ বিন ইবরাহীম সালামঃ ইসলাম শান্তি উন্নতি ও কল্যাণ কামনার ধর্ম। প্রেম-প্রীতি ভালবাসা ও সৌহার্দের ধর্ম। তাই ইসলাম পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতকালে শান্তি ও কল্যাণ কামনার্থে এবং প্রেম-প্রীতি, ভালবাসা ও সৌহার্দতা প্রকাশার্থে পরস্পরের মধ্যে সালাম বিনিময় করতে শিক্ষা দিয়েছে। শিক্ষা দিয়েছে একে অপরকে ‘আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্’ বলতে এবং জবাবে ‘ওয়া আলাইকুমুস্ সালাম’ বলে স্বাগত জানাতে। বলা বাহুল্য, সালা (বিস্তারিত)

আনুগত্যের গুরুত্ব ও সীমারেখা -মাওলানা আবুল আবরার

আনুগত্য হচ্ছে ইসলামের মূল। আনুগত্য ছাড়া কেউ মুসলিম হতে পারে না। মুসলিম মানেই অনুগত, আত্মসমর্পণকারী। আল্লাহ্ তায়ালার কাছে আত্মসমর্পণ করে তাঁর বিধানের অনুগত বান্দাই মুসলিম। তাই সে আল্লাহই আজ্ঞাবহ। তাঁর বিধিবিধান সানন্দে পালন করে। এতে নবী-রাসূলদের (আ.) স্থান সর্বাগ্রে। তাঁরা সরাসরি আল্লাহ্ তায়ালার কাছ থেকে নির্দেশিত হতেন এবং তাঁরই সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সর্বপ্রকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও যুক্তিতর্কের ঊর্ধ্বে থ (বিস্তারিত)...

স্বাধীনতার ৪৬তম বর্ষপূর্তি: লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে? -মুনির আহমদ

বৃটিশ শাসনামলের প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস সাক্ষ্য বহন করছে যে, ভারতবর্ষের সর্ব-জনসাধারণ পরাধীনতার জাঁতাকল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জীবনবাজি রেখে সংগ্রাম করেছিল। এ সংগ্রামের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার পতাকাতলে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনে ধর্মীয় সাধনার চূড়ান্ত সীমায় আরোহণ করা। কেবলমাত্র বৃটিশ গোলামির নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আসাটাই এ সংগ্রামের মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল না। একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অধি (বিস্তারিত)...

দেখি যে শত্রু ঘরে -মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান

ছেলেবেলায় স্কুলের পাঠ্যবইয়ে একটি কবিতা পড়েছিলাম। কবিতার দু’টি ছত্র আজও মনে আছে। কবিতাটি অই ছত্রেরই কিনা, কিংবা আরো কয়েক ছিল, এ সব আর মনে নেই। মনে নেই কবির নামও। ছত্র দু’টি নিম্নে উদ্ধৃত হলো- ‘শত্রু খুঁজিতে বাহির হইয়া           পাই না কোথাও তারে, তারপর খুঁজি আপন হৃদয়,           দেখি যে শত্রু ঘরে’। সেকালের বয়সে এই কবিতার ভাবার্থ বুঝবার কথা নয়। শিক্ষক যে অর্থ করে বুঝিয়েছিলেন, তাতে সেকালে এর গুঢ় তত্ত্ব নিশ্চয় বোধগম্য হয়নি। তবু সে (বিস্তারিত)...

ভারতের উত্তর প্রদেশে মুসলিম বিরোধী তৎপরতায় হেফাজত আমীরের উদ্বেগ প্রকাশ

জিজ্ঞাসা-সমাধান, পরিচালনায়- ফতোয়া বিভাগ, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। ব্যভিচারিণীকে ত্যাজ্য ও সমাজচ্যুত করা প্রসঙ্গে (৭৯৫৭) মুসাম্মৎ জাবেদা বেগম, গলাচিপা, পটুয়াখালী। জিজ্ঞাসাঃ আমাদের এলাকার একজন পরিচিত মহিলা নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর আপনাদের থেকে জানার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন। প্রশ্নটি হল, উক্ত মহিলার এক মেয়ে স্বামী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও অত্যন্ত জঘন্য একটি কাজ করে ফেলে। সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, উক্ত ব্যভিচারিণীকে তার পিতার সমস্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত বা ত্যাজ্য করা শরীয়তের দৃষ্টিতে কেমন? এবং উক্ত ব্যভিচারিণীর সাথে তার আত্মীয়স্বজনরা সমস্ত সম্পর্কচ্ছেদ করেছে। এটা ইসলামের দৃষ্টিতে কেমন হয়েছে? সমাধানঃ (ক) শরীয়তের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথা প্রমাণিত হয় যে, বিবাহিত ব্যাভিচারের শরয়ী শাস্তি হল, পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা। আর যদি দু’জনই বিবাহিত হয়, তাহলে দুজনেরই শাস্তি হল, পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদন্ড। যাতে সে তার কুকর্মের উপযুক্ত ফলাফল ভোগ করতে পারে। মনে রাখতে হবে, এ শাস্তি কেবল ইসলামী রাষ্ট্রেই দেওয়া যাবে এবং সে দেশের শরীয়া […](বিস্তারিত)

Somoy

Editor: Chowdhury Arif Ahmed
Executive Editor: Saiful Alam
Contact: 14/A, Road No 4, Dhaka, Bangladesh
E-mail: dailydhakatimes@gmail.com
© All Rights Reserved Daily Dhaka Times 2016
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখার সম্পূর্ণ বা আংশিক আনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি